এবারের মত আর কোনো ম্যাচ খেলতে পারবেনা মোহনবাগান। আহাল এফকের বিরুদ্ধে খেলা ম্যাচটিও বাতিল করল এএফসি। পরপর দুবছর একই ঘটনা ঘটল। এএফসি খেলতে নেমে মাঝপথে রণে ভঙ্গ দিল সবুুজ মেরুন ব্রিগেড।
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নিয়ম অনুযায়ী ইরানের সোফিয়ান এফসি বিরুদ্ধে দল না নামানোর জন্য প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে (আর্টিকেল ৫.৩ ) এএফসি ঘোষনা করে দিল যে এবারের এফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২ তে মোহনবাগান আর নেই। গত বছরও এই একই জিনিস হয়েছিল। চলতি মরশুমে মোহনবাগানের সামনে রইল আইএফএ শিল্ড, সুপার কাপ এবং ইন্ডিয়ান সুপার লিগ।
এএফসি তাদের প্রেস রিলিজে জানিয়েছে“এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু ২০২৫/২৬ প্রতিযোগিতার নিয়মের (আর্টিকেল ৫.২) ভিত্তিতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) জানিয়েছে যে ভারতের মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ইরানের ইসফাহানে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সেপাহানের বিরুদ্ধে গ্রুপ ‘সি’ ম্যাচে হাজির না হওয়ায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে গেছে বলে গণ্য করা হয়েছে।
এবারের মত আর কোনো ম্যাচ খেলতে পারবেনা মোহনবাগান। আহাল এফকের বিরুদ্ধে খেলা ম্যাচটিও বাতিল করল এএফসি। পরপর দুবছর একই ঘটনা ঘটল। এএফসি খেলতে নেমে মাঝপথে রণে ভঙ্গ দিল সবুুজ মেরুন ব্রিগেড। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নিয়ম অনুযায়ী ইরানের সোফিয়ান এফসি বিরুদ্ধে দল না নামানোর জন্য প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে (আর্টিকেল ৫.৩ ) এএফসি ঘোষনা করে দিল যে এবারের এফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২ তে মোহনবাগান আর নেই। গত বছরও এই একই জিনিস হয়েছিল। চলতি মরশুমে মোহনবাগানের সামনে রইল আইএফএ শিল্ড, সুপার কাপ এবং ইন্ডিয়ান সুপার লিগ।এএফসি তাদের প্রেস রিলিজে জানিয়েছে“এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ টু ২০২৫/২৬ প্রতিযোগিতার নিয়মের (আর্টিকেল ৫.২) ভিত্তিতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) জানিয়েছে যে ভারতের মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট ইরানের ইসফাহানে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে সেপাহানের বিরুদ্ধে গ্রুপ ‘সি’ ম্যাচে হাজির না হওয়ায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে গেছে বলে গণ্য করা হয়েছে।ফলে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের আগের খেলা বাতিল করা হয়েছে এবং সেটি আর গণনা করা হবে না (আর্টিকেল ৫.৬ অনুযায়ী)। পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, গ্রুপ ‘সি’-এর চূড়ান্ত পয়েন্ট তালিকা নির্ধারণের সময় মোহনবাগানের আগের ম্যাচের কোনো পয়েন্ট বা গোল ধরা হবে না (আর্টিকেল ৮.৩ অনুযায়ী)।”যদিও মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট ইরানে না খেলতে যাওয়ার জন্য নিজেদের যুক্তি সাজাচ্ছে। তারা যে সরকারী ভাবে বিবৃতি দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে ইরানে নিরাপত্তার অভাবেই এই সরে দাঁড়ানো। এমনকি ফুটবলাদের পরিবারও ইরানে খেলতে না যাওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই ফুটবলারদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। এবং যাতে বড় কোনও শাস্তির মুখে পড়তে না হয় তার জন্য ক্যাস এর দ্বারস্থ হয়েছে। তবে তথ্যাভিজ্ঞ মহলের অনুমান পরপর দুবছর এই ভাবে সরে দাঁড়ানো এএফসি মোটেই ভালোভাবে নেবে না। বড় কোনও শাস্তি মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে সামলাতে হবে। শোনা যাচ্ছে পাঁচ বছর ব্যান এবং তিরিশ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে। মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের এইভাবে সরে দাঁড়ানো সবুজ মেরুন সমর্থকরা মানতে পারছে না। তাদের যুক্তি এএফসিতে খেলার সুযোগ পাওয়ার ঘটনা হঠাৎ করে জানা যায়নি। নতুন বছরে চুক্তির সময় কেন ফুটবলারদের এই শর্তে চুক্তিবদ্ধ করানো হয়নি। যেখানে ইরানে খেলা পড়লেও যাওয়ার বিষয়টি থাকত। অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলারদের ছাড়াই দল কেন গেল না সেই প্রশ্ন উঠছে। উদাহরন হিসেবে ২০১২ সালে ইস্টবেঙ্গলের কথা বলছেন। সেই বছর কোচ ট্রেভর জেমস মরগ্যান এবং টোলগে ওজবেকে ছাড়াই ইস্টবেঙ্গল ইরান সফরে গিয়েছিল। পরাজয়ের শঙ্কা থাকলেই নিরাপত্তার ঢালকে সামলে রেখে ম্যাচ খেলতে না যাওয়া এবং ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজন না করার বিষয়টি সমর্থকদের ক্ষোভের সময় উঠে এসেছে। তারা ইতিমধ্যে ক্লাবের মূল প্রবেশদ্বারে বিক্ষোভ জানিয়ে ফেস্টুন টাঙিয়ে দিয়ে এসেছে।
যদিও মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট ইরানে না খেলতে যাওয়ার জন্য নিজেদের যুক্তি সাজাচ্ছে। তারা যে সরকারী ভাবে বিবৃতি দিয়েছে তাতে বলা হয়েছে ইরানে নিরাপত্তার অভাবেই এই সরে দাঁড়ানো। এমনকি ফুটবলাদের পরিবারও ইরানে খেলতে না যাওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছে। তাই ফুটবলারদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। এবং যাতে বড় কোনও শাস্তির মুখে পড়তে না হয় তার জন্য ক্যাস এর দ্বারস্থ হয়েছে। তবে তথ্যাভিজ্ঞ মহলের অনুমান পরপর দুবছর এই ভাবে সরে দাঁড়ানো এএফসি মোটেই ভালোভাবে নেবে না। বড় কোনও শাস্তি মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে সামলাতে হবে। শোনা যাচ্ছে পাঁচ বছর ব্যান এবং তিরিশ হাজার ডলার জরিমানা হতে পারে।
মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের এইভাবে সরে দাঁড়ানো সবুজ মেরুন সমর্থকরা মানতে পারছে না। তাদের যুক্তি এএফসিতে খেলার সুযোগ পাওয়ার ঘটনা হঠাৎ করে জানা যায়নি। নতুন বছরে চুক্তির সময় কেন ফুটবলারদের এই শর্তে চুক্তিবদ্ধ করানো হয়নি। যেখানে ইরানে খেলা পড়লেও যাওয়ার বিষয়টি থাকত। অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলারদের ছাড়াই দল কেন গেল না সেই প্রশ্ন উঠছে। উদাহরন হিসেবে ২০১২ সালে ইস্টবেঙ্গলের কথা বলছেন। সেই বছর কোচ ট্রেভর জেমস মরগ্যান এবং টোলগে ওজবেকে ছাড়াই ইস্টবেঙ্গল ইরান সফরে গিয়েছিল। পরাজয়ের শঙ্কা থাকলেই নিরাপত্তার ঢালকে সামলে রেখে ম্যাচ খেলতে না যাওয়া এবং ঘরের মাঠে ম্যাচ আয়োজন না করার বিষয়টি সমর্থকদের ক্ষোভের সময় উঠে এসেছে। তারা ইতিমধ্যে ক্লাবের মূল প্রবেশদ্বারে বিক্ষোভ জানিয়ে ফেস্টুন টাঙিয়ে দিয়ে এসেছে।

















Leave a Reply