Advertisement

উত্তরায়ণের সূচনা ও পুণ্যের আহ্বান—মকর সংক্রান্তির ধর্ম ও পৌরাণিক মাহাত্ম্য

মকর সংক্রান্তি – একটি প্রতিবেদন বাংলার বারো মাসে তেরো পার্বনের একটি অন্যতম পার্বন হলো মকর সংক্রান্তি। ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এই উৎসব বিভিন্ন নামে পালিত হয়। উত্তর ভারতে এটি মকর সংক্রান্তি, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রে উত্তরায়ণ, তামিলনাড়ুতে পোঙ্গল এবং আসামে মাঘ বিহু নামে পরিচিত।

নাম ভিন্ন হলেও, এই উৎসবের মূল সারমর্ম একই – সূর্য দেবতার উপাসনা এবং দান। * মকর সংক্রান্তির ধর্মীয় তাৎপর্য -মকর সংক্রান্তির গভীর ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। এই উৎসবটি উত্তরায়ণের সূচনা করে, যখন সূর্যদেব দক্ষিণায়ণ থেকে উত্তরায়ণে স্থানান্তরিত হন।

উত্তরায়ণকে আধ্যাত্মিক অগ্রগতির সময় হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই সময়ে জপ, তপস্যা, দান এবং পূজা করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়। * মকর সংক্রান্তির পৌরাণিক তাৎপর্য – অনেক পৌরাণিক কাহিনীতে মকর সংক্রান্তির কথা উল্লেখ আছে।

মহাভারত অনুসারে, ভীষ্ম পিতামহ উত্তরায়ণের অপেক্ষায় নিজের জীবন ত্যাগ করেছিলেন। বিশ্বাস করা হয় যে উত্তরায়ণের সময় নিজের জীবন ত্যাগ করলে মোক্ষলাভ হয়। এই কারণে, এই সময়টিকে অত্যন্ত পুণ্যময় বলে মনে করা হয়।

* মকর সংক্রান্তিতে দান করার বিশেষ গুরুত্বমকর সংক্রান্তি উৎসব দান ছাড়া অসম্পূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে যে এই দিনে দান অনন্ত পুরষ্কার প্রদান করে, যার পুণ্য কখনও শেষ হয় না। এই দিনে দরিদ্র, অসহায় এবং অভাবীদের সেবা করলে ভগবান সূর্য খুশি হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *