Advertisement

আমেরিকাকে রুখতে গ্রীনল্যান্ডে সেনা মোতায়েন ন্যাটো দেশের

আমেরিকাকে রুখতে গ্রীনল্যান্ডে সেনা পাঠাচ্ছে ন্যাটোর কয়েকটি দেশ ট্রাম্প গ্রীনল্যান্ড দখল নেবেই। ট্রাম্পকে আটকানো যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে একটা যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালিয়ে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে আমেরিকা (US)।

ওয়াশিংটনের এই মন্তব্যের সমালোচনাও করেছে ইউরোপের একাধিক দেশ। তাদের মধ্যে অন্যতম জার্মানি। বুধবার সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ডেনমার্কের আমন্ত্রণে ১৩ জন সেনা আধিকারিককে গ্রিনল্যান্ডে পাঠাচ্ছে তারা। সেই পথে হেঁটে বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপে সেনা পাঠাচ্ছে সুইডেন, ফ্রান্স, নরওয়ে। শুধু তা-ই নয়, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকে কনস্যুলেট খোলার কথা জানিয়েছে কানাডা এবং ফান্স।

যদিও ন্যাটো গোষ্ঠীর কোনও দেশে অন্য শরিক দেশের সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত অস্বাভাবিক কিছু নয়। বরং আমেরিকাই দীর্ঘদিন ধরে মেরু প্রদেশে ন্যাটোর মহড়া চালানোর কথা বলে আসছে। উত্তর-পশ্চিম গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক স্পেস বেসে অন্তত ১৫০ জন মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছেন। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এভাবে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের হুমকির পরে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, আমেরিকা যদি হামলা চালায়, তা হলে সেই মুহূর্তেই ন্যাটো ভেঙে যাবে। ডেনমার্কও মার্কিন হামলার প্রতিরোধ করবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

ঘটনাচক্রে, বুধবারই ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও এবং মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। ডেনমার্কের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, আমেরিকার সঙ্গে বৈঠকে একাধিক বিষয় নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। তবে মৌলিক কিছু বিষয়ে মতভেদ থেকেই গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *