Advertisement

সরস্বতীপুজো কবে? অবসান বিতর্কের, প্রকাশ পেল নির্ঘণ্ট

সরস্বতী পুজো কবে? রইলো নির্ঘান্ট সরস্বতীপুজো কবে – টা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরী হয়েছিল পন্ডিতদের মধ্যে। পরে অবশ্য সেই বিতর্কের অবসান ঘটেছে। মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় সরস্বতী পুজো। শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব ঘিরে এবার খানিকটা তিথির গেরো থাকলেও, পঞ্জিকা স্পষ্ট করে দিল নির্ঘণ্ট। আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাংলার ৯ মাঘ) শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে বসন্ত পঞ্চমী তথা বাগদেবীর আরাধনা।

মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে জ্ঞান ও শিল্পকলার দেবীর আরাধনা করা হয়। দৃকপঞ্জিকা এবং বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা— উভয় মতেই তিথির সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও পুজোর দিন নিয়ে সংশয় নেই। ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার গভীর রাত (রাত ১টা ৩৯ মিনিট থেকে ২টো ২৯ মিনিটের মধ্যে) থেকেই পঞ্চমী তিথি পড়ে যাচ্ছে।

শাস্ত্র মতে, উদয়া তিথিতে পুজো করাই প্রশস্ত। সেই নিয়ম মেনেই ২৩ জানুয়ারি শুক্রবারই মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর বন্দনা হবে। পঞ্চমী তিথি ২৩ জানুয়ারি রাত ১২টা ২৯ মিনিট (মতান্তরে রাত ১টা ৪৭ মিনিট) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। ফলে শুক্রবার সকালেই পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার মোক্ষম সময়। নিয়ম অনুযায়ী, এদিন সকালে স্নান সেরে উপোস থেকে বাসন্তী পোশাকে দেবীর চরণে ফুল অর্পণ করেন শিক্ষার্থীরা।

হাতেখড়ির জন্যও এদিন সকালের সময়টি অত্যন্ত শুভ। * পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র – বাগদেবীর চরণে তিনবার পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার বিধান রয়েছে। মূল মন্ত্রটি হল, “ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ-শোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোহস্তুতে।।” শিক্ষার্থীরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন— “বিদ্যাৎ দেহি নমোহস্তুতে”, অর্থাৎ আমাকে বিদ্যা ও জ্ঞান দান করো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *