এবার সম্মুখ সমরে অভিষেক। তার স্পষ্ট বার্তা কোনোভাবেই রাস্তা ছেড়ে দেওয়া হবে না। লড়াই চলবে। তিনি আরো বলেন, দরকার হলে নিজেদের পয়সা খরচ করে লড়াই চালান।
কোর্ট হোক রাস্তায় সর্বত্রই সরব ঘাসফুল শিবির। ভোটার দিবসে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে পথে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যের ব্লকে ব্লকে হবে তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল। প্রতি ব্লকে দু’টি করে মিছিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুথে বুথে ভোটরক্ষা কমিটি গড়তে হবে। আত্মতুষ্টি নয়, যুদ্ধের সময়, সাফ কথা অভিষেকের।
আগামী ২২ দিন কর্মীদের মাটি আকড়ে থাকার নির্দেশ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডের। কাজ সিরিয়াস না হলে দল রাখবে না, সাফ বার্তা অভিষেকের। সূত্রের খবর, দলের মেগা ভার্চুয়াল মিটিংয়ে এ কথা বলেছেন। সূত্রের খবর, এই ভার্চুয়াল বৈঠকে দলের প্রায় সর্বস্তরের কর্মীরাই ছিলেন। বিধায়ক, সাংসদ থেকে পঞ্চায়েত, পুরসভা স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। প্রায় ১ লাখেরও বেশি লোক ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেখানেই একের পর এক বার্তা দিতে দেখা যায় অভিষেক।
তবে এই ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএলএ টু-দের নজরকাড়া উপস্থিতি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এসআইআইআর-এর শেষবেলাতেও তৃণমূল এক ছটাকও মাটি ছাড়তে নারাজ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। সূত্রের খবর, এই বৈঠকেই বিধায়ক-সাংসদদের জন্যও স্পষ্ট বার্তা গিয়েছে অভিষেকের তরফে। তাঁর সাফ কথা, দরকারে গাঁটের কড়ি খরচ করে ওয়ার রুম চালান। অন্য রাজনৈতিক দলের মতো আমরা বিধায়ক বা সাংসদদের মাইনে থেকে টাকা কাটি না। আগামী দিনগুলিতে দিন ঝাঁপিয়ে পড়ুন। ১ কোটি ৩৬ লক্ষের আশপাশে যে নাম থাকবে লজিক্যাল ডিক্রিপেন্সির তালিকায় তা যেন কোনওভাবেই বাদ না পড়ে তা বলছেন অভিষেক। তাঁর সাফ কথা, “১ কোটি ৩৬ লক্ষের নাম আগের ভোটের তালিকায় ছিল। এখন এই নাম লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে দিয়েছে। এদের নাম যেন বাদ না যায় তাই সুনিশ্চিত করতে হবে।”

















Leave a Reply