Advertisement

অবশেষে, অবশেষে ৩২ ঘন্টা পরে সুজিত বসুর দেখা মিললো জতুগৃহে

অবশেষে, অবশেষে ৩২ ঘন্টা পরে সুজিত বসুর দেখা মিললো জতুগৃহে তিনি নাকি ব্যস্ত ছিলেন প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে। তাই আসতে পারেন নি অভিশপ্ত আনন্দপুরে। তবুও ৩২ ঘন্টা পরে মন্ত্রী সুজিত বসু অভিশপ্ত আনন্দপুরে এসে বললেন -‘এটা জতুগৃহ’।

এলাকা ঘুরে দেখলেন আর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুজিত স্বীকার করলেন, ‘কালকের দিনটা প্রজাতন্ত্র দিবস ছিল, অনেকে অনেকে জায়গায় ব্যস্ত ছিলাম।’

সোমবার আনন্দপুরের অভিশপ্ত সেই কারখানার বাইরে যখন দমকলকর্মীরা নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন আগুন নেভানোর, বাইরে যখন স্বজনহারাদের কান্না, উৎকন্ঠা, ঝলসে যাওয়ার ছাইয়ের মাঝে নিখোঁজদের খোঁজার আপ্রাণ প্রয়াস চলছে, তখন দমকলমন্ত্রী কোথায়, সে প্রশ্ন একাধিকবার তুলেছেন বিরোধীরা।

রবিবার রাত ১টার কিছু পর আগুন লাগে, ১৫ ঘণ্টা পর সেখানে যান বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। কিন্তু দিনভর একটাই প্রশ্ন ঘোরাফেরা করেছে দমকলমন্ত্রী কোথায়? রাত সাড়ে সাতটায় তিনি অন্য একটা অনুষ্ঠান থেকে বেরনোর সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি বলেন, “ভোর তিনটে থেকেই তিনি কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন।” ৩২ ঘণ্টা পর দমকলমন্ত্রী পৌঁছলেন আনন্দপুরের দগ্ধ ভূমে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি বলললেন, “অনেক বেশি রাতে আগুন লাগে। ৩৫ হাজার স্কোয়ার ফিটের মতো এলাকা। এখানে মোমো তৈরির কারখানা ছিল, একটা ডেকরেটর্সের গোডাউন ছিল। পর্যায়ক্রমে ১২ টা ইঞ্জিন পাঠানো হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও গাড়ি রাখা, কারণ প্রচুর পকেট ফায়ার ছিল। এটা জতুগৃহ! প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। রাত তিনটেয় প্রথম খবর পাই।” আর এই কথা প্রসঙ্গে নিজেই বলেন, “কালকের দিনটা প্রজাতন্ত্র দিবস ছিল, অনেকে অনেকে জায়গায় ব্যস্ত ছিলাম। তা সত্ত্বেও এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কাল সারা রাত লোক ছিল।” উল্লেখ্য, গোডাউনটি যে জলাভূমি বুজিয়ে তৈরি হয়েছিল, সে অভিযোগ আগেই উঠেছে। সোমবারই দমকল আধিকারিক জানিয়েছিলেন, তাঁরা সেখানে অগ্নি নির্বাপণের কোনও ব্যবস্থা দেখতে পাননি। তাহলে কি ফায়ার এডিট হয়নি? কীভাবে প্রশাসনের নজর এড়াল? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, তিনি দমকল মন্ত্রী। কোথায় কোন জলাজমি বোঝানো হচ্ছে তার খবর রাখা তার পক্ষে সম্ভব না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *