Advertisement

টলিউডে উৎসবের আমেজ: পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়

পদ্মশ্রী পেলেন প্রসেনজিৎ – উদ্বেলিত টলিপাড়া এক বছর বা দুই বাছর নয়, প্রায় ৫৮ বছর যিনি বাংলা সিনেমার সংগ্র যুক্ত, তিনি প্রসেজিৎ চট্টোপাধ্যায়। শিশু শিল্পী হিসাবেই সিনেমা জগতে প্রবেশ করেন তিনি। এই মুহূর্তে বাংলা সিনেমার অভিভাবক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যাপায়।

তিনিই বাংলা সিনেমায় ‘কাকাবাবুর’ রূপকার। রবিবার সন্ধ্যায় পদ্ম সম্মান প্রাপকদের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় পদ্মশ্রী ক্যাটাগরিতে রয়েছেন বাংলার অভিনেতা। এই সরস্বতীপুজোর আগের দিন মুক্তি পেয়েছে অভিনেতার নতুন ছবি — ‘বিজয়নগরের হীরে’। চার বছর পরে বড়পর্দায় ফিরলেন ‘কাকাবাবু’।

তবে শুধুই এই একটা নয়, বাংলা সিনেমার প্রতি তাঁর অবদান অপরিসীম। সেই অবদানকে মাথায় রেখেই প্রসেনজিতের নাম পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় জুড়ে দিল কেন্দ্র। নিজের জীবনে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন ১৯৬৮ সালে। তখন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় ছিলেন শিশু শিল্পী।

বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্য়ায় পরিচালিত ‘ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে’ তাঁর প্রথম কাজ করা। নায়ক হিসাবে প্রথম আত্মপ্রকাশ ১৯৮৩ সালে, দু’টি পাতা ছবিতে। এরপর থেকেই ছুটছে ক্যারিয়ার। প্রসেনজিতের ঝুলিতে ঢুকেছে একের পর এক সিনেমা, দেশজুড়ে মিলেছে খ্য়াতি। বাংলা সিনেমার বাইরেও ছড়িয়েছে তাঁর পরিধি। শুধুই ভাল অভিনেতা বা ভাল সিনেমা নয়, বাংলা সিনেমায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের অবদানকে আরও নানা ভাবে ব্যাখ্যা করেছেন সিনেপ্রেমীরা। একাংশের মতে, শহরবাসীর মনে যখন জায়গা পেয়েছিল বিকল্প ধারার সিনেমা-চর্চা। সেই সময় গ্রাম বাংলার হাতে কমার্সিয়াল সিনেমার ঝুলি তুলে দিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। একের পর এক সুপারহিট সিনেমা দিয়েছেন তিনি। নিজের গোটা কেরিয়ারে অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশোর অধিক সিনেমায়। কখনও থেকেছেন মূলস্রোতে, কখনও বেরিয়েছেন সেই ধারা থেকে। এখন অনেকের মুখেই শোনা যায়, ‘বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান’। ওয়েবসিরিজ, হিন্দি ওটিটি এবং বিকল্প ধারার সিনেমার দৌড়ে দর্শক টানতে পারছে না বাংলা সিনেমা, এমনটাই মত অনেকের। কিন্তু প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সদ্য প্রকাশিত ‘বিজয়নগরের হীরে’ সেই কথা বলে না। শহর কলকাতা তো বটেই বলিউডের সিনেমা-ঘরগুলিতেও বিরাট ব্যবসা টানছেন কাকাবাবু। তিনি পদ্মশ্রী পাওয়াও খুশি টলি পাড়া সহ আপামর বঙ্গবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *