২০২৬ সালে পদ্মশ্রী পেলেন বাংলা সিনেমার অভিভবক প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। খুশিতে উদ্বেলিত টলিপাড়া। মুহূর্তে দেব জানালেন তার শুভেচ্ছা বার্তা। রবিবারই প্রসেনজিৎকে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে করে শুভেচ্ছা জানালেন অভিনেতা দেব৷
ট্যুইটে দেব লিখেছেন, ‘‘পদ্মশ্রী পাওয়ার জন্য অনেক শুভেচ্ছা প্রসেনজিৎদা৷ তোমার জন্য ভীষণ খুশি এবং গর্বিত৷ তুমি এর যোগ্য প্রাপক৷’’ প্রসেনজিতের পাশাপাশি বাংলা থেকে মোট ১১ জন পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মান৷
বাংলা থেকে এই সেরার মকুট পরতে চলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিষ দেবনাথ, অশোককুমার হালদার, শ্রীকুমার বোস, মহেন্দ্রনাথ রায়, রবিলাল টুডু, সরোজ মণ্ডল। এঁদের মধ্যে শিক্ষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন শ্রী অশোক কুমার হালদার৷
শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তবলাবাদক কুমার বসু, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, কাঁথাশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, সন্তুর বাদক তরুণ ভট্টাচার্য। সেই আশির দশক থেকে আজ পর্যন্ত— টলিউডের নায়ক প্রসেনজিৎ।
পুরোদস্তুর বাণিজ্যিক ছবি হোক বা বিকল্প ধারা বাংলা ছবিতে তিনি যেন এক মাইল ফলক। ছোট্ট জিজ্ঞাসাতে শিশু শিল্পী হিসাবে অভিনয় জীবন শুরু। নায়ক হিসাবে প্রথম অভিনয় দুটি পাতা। ঋতুপর্ণ ঘোষের ‘দোসর’ ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। চোখের বালি, উনিশে এপ্রিল, শেষ পাতা কিংবা বাইশে শ্রাবণ, জাতিস্মর-অটোগ্রাফের মতো বিকল্প ধারার ছবিতে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন তিনি। তারই যোগ্য স্বীকৃতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। ‘শঙ্খচিল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার পান তিনি।প্রসঙ্গত প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র-কে দেওয়া হয়েছে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ সম্মান।

















Leave a Reply