পাকিস্তানের গৃহযুদ্ধ কিছুতেই কমছে না। একদিকে বলোচ বিদ্রোহীগোষ্ঠী, অন্যদিকে আফগানিস্তান সীমানা অঞ্চলে আফগান বিদ্রোহীরা তো আছেই সঙ্গে কাশ্মীরি বিদ্রোহীরা। তেমনই কোনো বিদ্রোহী গোষ্ঠী শুক্রবার পাকিস্তানে বিরাট বিস্ফোরণ ঘটায় – যাতে মৃত ৬৯ ও আহত অন্তত ১৬৯ জন। পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ‘ওই আত্মঘাতী জঙ্গি একাধিকবার পাকিস্তান থেকে আফগানিস্তানে গিয়েছিল। তার সঙ্গে তালিবানের সরাসরি যোগ ছিল। আমাদের কাছে তথ্যপ্রমাণও রয়েছে।’ এরপরই ভারতকে নিশানা করে খোয়াজা দাবি করেন, এই হামলার নেপথ্যে ভারতেরও হাত রয়েছে। ভারত এবং আফগানিস্তান একযোগে এই ষড়যন্ত্র করেছে। তাঁর আরও দাবি, ভারত পাকিস্তানের কাছে হেরে গিয়েছে। ভারতের সাহস নেই লড়াই করার। তাই পিছন থেকে এধরনের হামলা চালাচ্ছে।
পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। শুক্রবার রতেই বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল কড়া বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘ইসলামাবাদের মসজিদে এই হামলা নিন্দনীয়। বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। তার জন্য সমবেদনা জানাই। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে সন্ত্রাসবাদ-সহ পাকিস্তান তার নিজের সমস্যাগুলিকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান করার পরিবর্তে, অন্যকে দোষারোপ করে বেড়াচ্ছে। এই হামলায় পাকিস্তান ভারতকে নিয়ে যে দাবি করছে তা আমরা খারিজ করছি। এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং ভিত্তিহীন।’ খোয়াজার দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছে আফগানিস্তানের তালিবান সরকারও। পাকিস্তানের এহেন আচরণকে তারা ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলেও উল্লেখ করেছেন। তালিবানের তরফে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদ কোনও প্রমাণ ছাড়া উপযুক্ত তদন্ত না করেই দেশের অন্দরে বিভিন্ন হামলা নিয়ে আফগানিস্তানকে দায়ী করে আসছে। এগুলি যুক্তিহীন।

















Leave a Reply